প্যারাডক্স
১৩
সরস্বতী বয়েস হোস্টেল
২০১৩
বাবাকালীকে ভাগিয়ে দিয়ে, আমি ধপ করে বিছানায় বসে পড়লাম , বাড়ি ফেরার আনন্দ একেবারেই চটকে গেল। বার বার, শালা বার একই চব্য। বাঁশ কেন বনে ,এসো আমার পিছনে। এই হতভাগার পূর্বাশাকে , সে হোক , হতেই পারে , কিন্তু তা বলে আমাকে বলা কেন বাপু ,!!!!!! এতোক্ষনে বোধহয় শিলাজিৎদার রুমে তাসের সান্ধ্য আড্ডা শুরু হয়ে গেছে কিন্তু আমার আর কিছু ভালো লাগছিলো না। ব্যাগ থেকে মাল বার করে জয়েন্ট বানাতে বসে গেলাম। বানিয়ে , স্পিকারে একটা গান লাগিয়ে , ছোট আলোটা জ্বেলে দিয়ে আমি মুখে আগুন দিলাম। মনের ক্ষার মিটিয়ে জয়েন্টে একটা মোক্ষম টান দিয়ে, দেয়ালের দিকে তাকিয়ে রইলাম , আমার কলকাতার জীবন , বন্ধুরা , অরুন -পিয়া , শুটিংয়ের ছবি আর তিয়াশার ছবিগুলো দিয়ে আমি নিজের হাতে একটা ওয়াল হ্যাঙ্গিং বানিয়েছিলাম , আলো আঁধারি মাখা ঘরে ধোঁয়া গুলো পাক খাচ্ছিলো , আর তার মধ্যে দিয়ে আমি ওই ফোটোকোলাজের দিকে তাকিয়ে রইলাম। এই শীতকালটা এলেই আমার রক্তে যেন টান ধরে, অনেকদিনের পুরানো স্মৃতিগুলো পাক খেয়ে গলার কাছটায় জমে উঠলো , ইসসস যদি একবার টাইম ট্রাভেল করে ফিরে যেতে পারতাম সেই সব দিনে ,!!! আহঃ !!! চোখটা হাল্কা জ্বালা করে উঠলো
স্পিকারে গান সোনু নিগম বলছিলো
#2011
#St paul's cathedral mission college
#Kolkata
“এই গরু এইদিকে আয়”
আট জোড়া ছেলে মেয়ে একসাথে নাচ শুরু করলো।আমি তিয়াশাকে শক্ত করে ধরলাম , এবারের স্টেপ গুলো নিখুঁত ভাবে করছে হবে। তিয়াশা আমার কানে কানে বললো "আই লাভ ইউ".
(চলবে )
বি দ্র - এই অভাগার চাওয়ার কিছুই নেই , একটু শেয়ার হলে আর কিছুই নয় লেখার আত্মবিশ্বাসটা খানিকটা বাড়ে, তাই আজকেও সেই রেকর্ড বাজাচ্ছি ভালো লাগলো দোয়া করিয়া শেয়ার করিবেন।
১৩
সরস্বতী বয়েস হোস্টেল
২০১৩
বাবাকালীকে ভাগিয়ে দিয়ে, আমি ধপ করে বিছানায় বসে পড়লাম , বাড়ি ফেরার আনন্দ একেবারেই চটকে গেল। বার বার, শালা বার একই চব্য। বাঁশ কেন বনে ,এসো আমার পিছনে। এই হতভাগার পূর্বাশাকে , সে হোক , হতেই পারে , কিন্তু তা বলে আমাকে বলা কেন বাপু ,!!!!!! এতোক্ষনে বোধহয় শিলাজিৎদার রুমে তাসের সান্ধ্য আড্ডা শুরু হয়ে গেছে কিন্তু আমার আর কিছু ভালো লাগছিলো না। ব্যাগ থেকে মাল বার করে জয়েন্ট বানাতে বসে গেলাম। বানিয়ে , স্পিকারে একটা গান লাগিয়ে , ছোট আলোটা জ্বেলে দিয়ে আমি মুখে আগুন দিলাম। মনের ক্ষার মিটিয়ে জয়েন্টে একটা মোক্ষম টান দিয়ে, দেয়ালের দিকে তাকিয়ে রইলাম , আমার কলকাতার জীবন , বন্ধুরা , অরুন -পিয়া , শুটিংয়ের ছবি আর তিয়াশার ছবিগুলো দিয়ে আমি নিজের হাতে একটা ওয়াল হ্যাঙ্গিং বানিয়েছিলাম , আলো আঁধারি মাখা ঘরে ধোঁয়া গুলো পাক খাচ্ছিলো , আর তার মধ্যে দিয়ে আমি ওই ফোটোকোলাজের দিকে তাকিয়ে রইলাম। এই শীতকালটা এলেই আমার রক্তে যেন টান ধরে, অনেকদিনের পুরানো স্মৃতিগুলো পাক খেয়ে গলার কাছটায় জমে উঠলো , ইসসস যদি একবার টাইম ট্রাভেল করে ফিরে যেতে পারতাম সেই সব দিনে ,!!! আহঃ !!! চোখটা হাল্কা জ্বালা করে উঠলো
স্পিকারে গান সোনু নিগম বলছিলো
"আভি মুঝমে কাহি বাকি
থোড়ি সি হায় জিন্দেগী"
থোড়ি সি হায় জিন্দেগী"
#2011
#St paul's cathedral mission college
#Kolkata
“এই গরু এইদিকে আয়”
আমি কিন্তু এগোলাম না, যে ভাবে মুখ নিচু করে দাঁড়িয়েছিলাম ঠিক সেই ভাবেই রইলাম,
তিয়াশা আবার বললো
"কিরে আয়" আমি এবারও কোনো কথা না বলে শুধু মাথা নেড়ে না
"কিরে আয়" আমি এবারও কোনো কথা না বলে শুধু মাথা নেড়ে না
বললাম, তিয়াশা এবার আমার দিকে এগিয়ে এলো, কাছে এসে হটাৎ করে মিষ্টি নরম গলায় জিজ্ঞাসা করলো
“কি হয়েছে??”
“কি হয়েছে??”
আমি এবার কোনো জবাব না দিয়ে ওর চোখের দিকে সোজাসুজি তাকালাম, কলেজের এই হলে আর বাকি যারা কাপল ডান্স এর রিহার্সাল
দিচ্ছিলো তারা যে যার নিজেদেরকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকলেও এই ঘটনাটা যে ওদের চোখ এড়াচ্ছিলো না সে বিষয়ে আমি ভালোই বুঝতে পারছিলাম। তিয়াশা ঠিক আমার মুখোমুখি এসে দাঁড়ালো ওর মায়াবী গরম নিঃস্বাস গুলো যেন ঠিক সোজা আমার বুকে এসে আছড়ে পড়ছিলো আর কেন জানিনা সেই জন্যই হয়তো খুব আস্তে-আস্তে অদ্ভুত একটা জ্বালা আমাকে আঁকড়ে ধরছিলো
দিচ্ছিলো তারা যে যার নিজেদেরকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকলেও এই ঘটনাটা যে ওদের চোখ এড়াচ্ছিলো না সে বিষয়ে আমি ভালোই বুঝতে পারছিলাম। তিয়াশা ঠিক আমার মুখোমুখি এসে দাঁড়ালো ওর মায়াবী গরম নিঃস্বাস গুলো যেন ঠিক সোজা আমার বুকে এসে আছড়ে পড়ছিলো আর কেন জানিনা সেই জন্যই হয়তো খুব আস্তে-আস্তে অদ্ভুত একটা জ্বালা আমাকে আঁকড়ে ধরছিলো
তিয়াশা হটাৎ আমার হাত দুটো ধরে খুব আলতো করে বললো"ওই গরু কি হলো? নাচবি না আমার সাথে? হুঁ”
আমি কোনো কথা না বলে এক হ্যাঁচকা টানে ওকে আমার আরো কাছে টেনে আনলাম,ও এবার খিলখিল করে হেসে উঠে বলল “আচ্ছা বুঝেছি বুঝেছি, আমি গরু বললাম বলে বাবুর রাগ হয়েছে বুঝি। ....... উমমম
আমি কোনো কথা না বলে এক হ্যাঁচকা টানে ওকে আমার আরো কাছে টেনে আনলাম,ও এবার খিলখিল করে হেসে উঠে বলল “আচ্ছা বুঝেছি বুঝেছি, আমি গরু বললাম বলে বাবুর রাগ হয়েছে বুঝি। ....... উমমম
টুক করে আমার ডান গালে একটা চুমু খেয়ে বললো
“solly,পাগলাটা আমার” বলে আমার গালে আর একটা চুমু খেলো
“রাগ মিটলো? এবার চলো সোনা রিহার্সাল দিতে হবে তো উমম”
বলে আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই আমার হাত ধরে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে গেল হলের অন্য কোনায় যেদিকে অরুন আর পিয়া টিফিন খাচ্ছিলো , এতক্ষন আমাদের রিহার্সাল ব্রেক চলছিল,
আর বাকি ছয় জোড়া ছেলে মেয়ে যে যার নিজের মতো করে গল্প করছিলো, পিয়াকে রোজকার মতো অরুন খাইয়ে দিচ্ছিলো।
আমার সত্যি বলতে কি একটু লজ্জাই লাগছিলো, যদিও এই ঘরের সবাই প্রায় কাপল
“solly,পাগলাটা আমার” বলে আমার গালে আর একটা চুমু খেলো
“রাগ মিটলো? এবার চলো সোনা রিহার্সাল দিতে হবে তো উমম”
বলে আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই আমার হাত ধরে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে গেল হলের অন্য কোনায় যেদিকে অরুন আর পিয়া টিফিন খাচ্ছিলো , এতক্ষন আমাদের রিহার্সাল ব্রেক চলছিল,
আর বাকি ছয় জোড়া ছেলে মেয়ে যে যার নিজের মতো করে গল্প করছিলো, পিয়াকে রোজকার মতো অরুন খাইয়ে দিচ্ছিলো।
আমার সত্যি বলতে কি একটু লজ্জাই লাগছিলো, যদিও এই ঘরের সবাই প্রায় কাপল
আর সবাই আমার এক রকম বন্ধুই , তাও লাগছিলো
আর আজব ব্যাপারটা হলো এই হটাৎ
করে উড়ে আসা লজ্জাটা আমার বেশ ভালো লাগছিলো। আমাদের আসতে দেখে
অরুন শুধু একবার আমার দিকে তাকিয়ে একবার মুচকি হাসলো তারপর কানে কানে পিয়াকে কিছু একটা বললো, তারপর দুজনেই আমাদের দিকে তাকিয়ে ফিক করে হেসে ফেললো, আমিও হাসলাম। অরুন এবার উঠে দাঁড়িয়ে অন্যদের বললো
“ওকে এভরিওয়ান , ব্রেক খতম, চলো সবাই যে যার পজিশন নাও আমাদের হাতে কিন্তু
আর সময় বেশি নেই ,অনেকেরই স্টেপ ভুল হচ্ছে , আজকে আরো দুবার রিহার্সাল দিতে হবে গেট রেডিকুইক কুইক ”
আমি তিয়াশার হাত ধরে রিহার্সালের জন্য রেডি হলাম, সত্যিই সময় আর বেশি নেই পরশুই শো আর যেহেতু এটা আমাদের ফাইনাল ইয়ার তাই এটাই আমাদের কলেজ জীবনের শেষ শো, আমি চোখ বুঝে একটা জোরে শ্বাস নিয়ে তিয়াশার কানে কানে বললাম
“আমাকে কোনোদিনও ছেড়ে চলে যাবিনা তো?
এবার তিয়াশা কোনো কথা না বলে আমার হাতটা আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরলো, আর ঠিক
আমি তিয়াশার হাত ধরে রিহার্সালের জন্য রেডি হলাম, সত্যিই সময় আর বেশি নেই পরশুই শো আর যেহেতু এটা আমাদের ফাইনাল ইয়ার তাই এটাই আমাদের কলেজ জীবনের শেষ শো, আমি চোখ বুঝে একটা জোরে শ্বাস নিয়ে তিয়াশার কানে কানে বললাম
“আমাকে কোনোদিনও ছেড়ে চলে যাবিনা তো?
এবার তিয়াশা কোনো কথা না বলে আমার হাতটা আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরলো, আর ঠিক
তখনি মিউসিক সিস্টেমে জোরে জোরে বেজে উঠলো “আভি মুঝমে কাহি বাকি থোড়ি সি
হায় জিন্দেগী”আট জোড়া ছেলে মেয়ে একসাথে নাচ শুরু করলো।আমি তিয়াশাকে শক্ত করে ধরলাম , এবারের স্টেপ গুলো নিখুঁত ভাবে করছে হবে। তিয়াশা আমার কানে কানে বললো "আই লাভ ইউ".
(চলবে )
বি দ্র - এই অভাগার চাওয়ার কিছুই নেই , একটু শেয়ার হলে আর কিছুই নয় লেখার আত্মবিশ্বাসটা খানিকটা বাড়ে, তাই আজকেও সেই রেকর্ড বাজাচ্ছি ভালো লাগলো দোয়া করিয়া শেয়ার করিবেন।
No comments:
Post a Comment