“ও দিদিমনি আর কত টেইম বলো দিকিনি,”
“আহহ দেরি অছে রে বাপু, উফফ বাবা রে একটু শান্তিতে ঝিমুবো তারও জো নেই, বেশ ছিলুম বাপের বাড়িতে,লোকজনের সহ্য হল না, ঠেলেঠুলে পাঠিয়ে দিলো, এখন এই মাতাদোরে এ বসে বসে ঝাকুনি খাও, ধুর কোন মানে হয় তুই বল?”“আগ্যে আমি মুখুসুকু জীব এত কিচু বুজিনেকো, আমার কাজ আপনার সাথে আসা তাই এয়েছি.”“হাঃ সেটাই তো দুঃখ রে, আমারও যে আসা টা কাজ , বলি তোরা এখন ডীজিটাল হয়েছিস অধুনিক হয়েছিস আর আমাকে বেকার কষ্ট দেয়া কেন বাপু, এখন দুদিন ধরে যে কি গুস্টির পিন্ডি ভাষায় আমার " ষ্রাদ্ধা " হবে কে জানে, আগে তাও একটু এদিক ওদিক করতাম আজকাল হাটু তে এতো বাথ্যা যে সেটাও পারিনা , উফফফফ দুটো দিন কাটলে বাচি”“দিদিমনি আমরা বোধহয় এসে পডলুম ““হুমমম আচ্ছা শোন আমার কাছছাডা হোস না এক্দম, বুঝলি,দিনকাল একদম ভাল নয় তোকে একা পেয়ে .........“ওওওওওওও দিদিমনি ,মুখপোডাগুলো এ কই নিয়ে এলো গো এযে কেলাব গো , ও বাবা সব কটা তো মাতাল ইসস কি ভাবে ড্যাবড্যাব করে দেকছে দেকো দিকিনি.............”“সাধে কি আর অাসতে চাই না রে .... চল দেখি কি আছে কপালে,, দেখে নামা বাপু হাটু তে বাথ্যা আছে ফেলে দিসনি বাপ”
জন বাঙলা ক্লাব এর সেক্রেটারি , রামসদয়বাবু বড্ড ভাল দেশভক্ত মানুষ, বাডি আর পার্টি ছাডা বিলিতি বিশেষ খান না, কেলাব এ এই প্রথমবার সরকারি অনুদান এ পুজো হচ্ছে তাই সেই খুসিতে আজকে এক কল্সি বাঙ্লা এনেছেন , কেলাব এর পুজো ছেলে ছোকরারা এট্টু ফুর্তি করবে না?
কুমোরপাডা থেকে টেম্পো করে যখন বিশু আর পার্থর দল মুর্তি আনতে গেছে তখন থেকে ঢুকুঢুকু চল্ছে,
মুর্তি কেলাব এর সামনের মাঠে রাখার হৈছৈ এ রামবাবু বেরিয়ে এলেন
"মা মা মাগো " বলে মুর্তির পায়ের ওপর হুমডি খেয়ে পডলেন , ছোটোবেলা থেকে পোরিখ্যার খাতায় যেটা হোয়নি আজ হল, পেট থেকে গলগল করে সব বেরিয়ে এসে ঠাকুর এ পা ভিজিয়ে দিলো..
জয়ো জয়ো দেবী !!

No comments:
Post a Comment